1. abdussamadafindi98@gmail.com : Abdus Samad Afindi Nahid : Abdus Samad Afindi Nahid
  2. admin@amaderjamalganj.com : amaderjamalganj : amaderjamalganj com
বর্ষাযাপন ও গ্রামীণ জীবন মোঃ এরশাদ মিয়া – আমাদের জামালগঞ্জ
রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সাহিত্য বিকাশে মোরা প্রত্যয়দীপ্ত"আমাদের জামালগঞ্জ " হাওর সাহিত্যের আয়না - আপনিও লিখুনঃ আপনিও হয়ে যান আমাদের জামালগঞ্জ সাহিত্য পত্রিকার একজন নিয়মিত লেখক।যে কোনো ধরনের গল্প,কবিতা পাঠিয়ে দিন আমাদের কাছে আমরা আপনার লেখাটি আমাদের জামালগঞ্জ সাহিত্য পত্রিকায় আপনার নাম উল্লেখপূর্বক প্রকাশ করব। E-mail: amaderjamalganj@gmail.com
শিরোনাম :
ভীমখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক মৌঃ জাকির হোসেন আর নেই জামালগঞ্জে প্রথম আইসিটি জেলা এম্বাসেডর হলেন মনির হোসেন জামালগঞ্জে সুদীপ্ত তরুণ”লম্বাবাকঁ উদ্যোগে ভাঙ্গা রাস্তা মেরামত ফেনারবাঁক ইউপিবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সুব্রত পুরকায়স্থ  জামালগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াসিন আরাফাত এর ঈদ শুভেচ্ছা বার্তা ভীমখালি ইউনিয়ন বাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফুজায়েল আহমেদ তালহা মানিগাঁও আত- তাক্বওয়া ইসলামি যুব সংঘের ঈদ সামগ্রী বিতরণ ভীমখালি ইউপিবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আক্তারুজ্জামান তালুকদার দেহ থেকে প্রাণ গেলেই তুমি লাশ মোহাম্মদ আফজাল হোসেন ফেনারবাঁক ইউপিবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অজিত কুমার রায়

বর্ষাযাপন ও গ্রামীণ জীবন মোঃ এরশাদ মিয়া

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১
  • ১০১৭ বার পড়া হয়েছে

 

নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহি রে।
ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে।
বাদলের ধারা ঝরে ঝরঝর,
আউশের ক্ষেত জলে ভরভর
কালি-মাখা মেঘে ও পারে ঘনিছে দেখ চাহি রে।
ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে।।
– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ঋতু বৈচিত্র্যময় আমাদের এদেশে। প্রকৃতি অপরুপ সৌন্দর্য্যে সজ্জিত হয়ে জানান দেয় নব ঋতুর আগমন বার্তা। প্রকৃতির এই বৈচিত্রতার সাথে খাপ খাওয়াইয়ে গ্রাম বাংলার মানুষের চলছে এ জীবন সংগ্রাম। বর্ষা একদিকে আর্শিবাদের পাশাপাশি গ্রামের কেটে খাওয়া মানুষের জন্য অভিশাপ। বর্ষাকালে অবিরাম বৃষ্টির ফলে ঘরের বাহিরে যাওয়া যায় না, তাই অধিকাংশ মানুষ বেকার হয়ে পড়ে । জীবন জীবিকার তাগিদ এসকল মানুষকে ভীষন্ন হয়ে পড়ে। খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে। আশা রাখে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এই আশা বুকে রেখেই অনাহারে অর্ধাহারে জীবন কাটায়। হাতে তেমন কাজ না থাকাতে পাড়া, মহল্লার সমবয়সীদের সাথে মেতে উঠে সুখ দুখের গল্পের আড্ডায় । একটা সময় গ্রামে প্রতিটি বাড়িতে কম বেশি ২/১ টা বাংলো (দেইড়া ঘর) থাকতো। গ্রামের অধিকাংশ মানুষই কৃষি কেন্দ্রীক জীবন ব্যবস্থার সাথে জড়িত। বর্ষাকালে কোন কাজ হাতে না থাকাতে পাট নিয়ে বাংলো ঘরে গিয়ে রশি বুননের সাথে সাথে মজার মজার গল্পে মেতে উঠতো। প্রতিটি গ্রামে কিছু লোক পুথি সাহিত্যের প্রতি আসক্ত ছিলো। অনেক সুন্দর করে পুথি পড়ে শুনাতো। ছিদ্দেক দাদার দরাজ কন্ঠে পুথির আসর ছিলো বেশ জমজমাট। পানি বন্দী ও বৃষ্টির কারণে বাংলো ঘর গুলো হয়ে যেতো অবসর সময় কাটানোর জায়গা। প্রবীণ মুরব্বিরা সুন্দর সুন্দর কিচ্ছা কাহিনি শুনে কখন যে দিন শেষ হয়ে যেতো টের পাওয়া যেতো না। গ্রামীণ নারীরা সুই সুতা নিয়ে নকশীকাঁথা বুননের ফাঁকে ফাঁকে গল্পর আসর জমজমাট হয়ে যেতো। বিনোদনের এতো সব আধুনিক ডিভাইস ছিলো না বলে তখনকার মানুষ কোন অংশে পিছিয়ে ছিলো না। মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত বিজ্ঞ জনদের কাছ থেকে ইতিহাস, সাহিত্য, সংস্কৃতি, জ্ঞান, বিজ্ঞান সব বিষয়ে ধারনা লাভ করা যেতো। মানুষে মানুষে এই যে মেল বন্ধন তা শুধু কেবল গ্রামীণ বাংলায় লক্ষনীয়।

বর্ষাযাপন ও গ্রামীণ জীবন
মোঃ এরশাদ মিয়া
বি.এ(অর্নাস) এম.এ( দর্শন)
এম.সি কলেজ, সিলেট

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই রকম আরো সংবাদ
  • এই সাইটের  লেখা কপি  করা থেকে বিরত থাকুন।
Design & Development By Hostitbd.Com
error: মামা কপি করা ভালো কাজ না !!